
সত ভাইয়ে অত্যাচারে অতিষ্ট মা ও মেয়ে।
মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
পটুয়াখালী জেলার মির্জাগন্জ উপজেলা ১নং মাধব খালি ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ডে এ ঘটনাটি ঘটেছে। মোঃ আতার উদ্দিন মোল্লার মেঝ ছেলে মোঃ কামরুল হাসান শানু মোল্লা তিনি তার সত মা ও বোনের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে দীর্ঘ দিন যাবত। তিনি ও তার স্ত্রীরা বিভিন্ন সময় তার সত মা ও বোনকে ঘর থেকে নামিয়ে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করে আসছে।
এই কারণে গত ২৫/০৮/২০২৫ ইং তারিখ বেলা আনুমানি ১২ঘটিকার সময় ফাতিমা আক্তার কে ঘরে একা পেয়ে শানু মোল্লা ও তা স্ত্রী খাদিজা বেগম বেধড়ক মারধর করে। ফাতিমার ডাকা ডাকি শুনে তার মা রুনু বেগম মেয়েকে বাচাতে গেলে তাকেও শানু মোল্লা মারধর করে।
এর পরে তাদের ডাকা ডাকি শুনে লোকজন হাজির হলে খাদিজা বেগম ও শানু মোল্লা দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পরে রুনু বেগম মির্জাগন্জ থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন।এতে মোঃ কামরুল হাসান শানু মোল্লা ও তার স্ত্রী খাদিজা বেগম সহ মোট ৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।মির্জাগন্জ থানার অফিসার ইনচার্জ অভিযোগ খানা আমলে নিয়ে তদন্তের মাধ্যমে মিমাংসা করার নির্দেশ দেন। অভিযুক্তদের থানা ডাকা হলে ঘটনাটি শুনিয়া উপস্থিত সালিশগণের রায় একটি রোয়েদাদ নামা হয়।উক্ত রোয়েদাদ নামায় শানু মোল্লা কোন স্বাক্ষর করেননি।তারপক্ষে তার ছেলে মোঃ মাহমুদুল হাসান রানা স্বাক্ষর করে।
এর ২/৩দিন পরে মোঃ কামরুল হাসান শানু মোল্লা পটুয়াখালী আদালতে একটি বন্টন নামা মামলা করেন।
বন্টন নামা মামলায় ১নং বিবাদী তার আপন বড় ভাই মোঃ সোহরাব হোসেন মোল্লার নামে একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য চেষ্টা করেন। আদালত তা আমলে না নিয়ে দুই পক্ষ কে স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। আদালতে এই নির্দেশ অমান্য করে মোঃ কামরুল হাসান শানু মোল্লা ও তার স্ত্রী খাদিজা বেগম বিভিন্ন ভাবে ফাতিমা ও তার মাকে অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে আসছে। এবং তাদের জীবন নাশের হুমকি ও দিচ্ছে। ফাতিমা আক্তার সুবিদখালী সরকারি কলেজে অনার্স ফাইনাল ইয়ারের নিয়মিত একজন ছাত্রী। ফাতিমার বিরুদ্ধে শানু মোল্লা ও তার স্ত্রী খাদিজা বেগম সহ থানায় অভিযোগ কারিরা অনেক বাজে কথা বার্তা বলে।এতে ফাতিমা আক্তার কলেজে যাতায়াত করতে পারছে না। এজন্য ফাতিমা আক্তার মির্জাগন্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করে।নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখত অভিযোগ করার কারনে মোঃ কামরুল হাসান শানু মোল্লা, মোঃ মাহমুদুল হাসান রানা, খাদিজা বেগম আরও বেপরোয়া হয়ে তাদেরকে তার পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করবে এবং মান সম্মান নষ্ট করার জন্য পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছি। ফাতিমা আক্তার ও তার মা মুরগী পালন করে। তাহা সহ্য করতে না পরে খাদিজা বেগম বিষ প্রয়োগ করে মেরে ফেলে।
এক প্রকার জোর করে মোঃ কামরুল হাসান শানু মোল্লা, তার ছেলে মোঃ মাহমুদুল হাসান রানা নির্দেশে ছাদে একটি সিসি ক্যামেরা বসিয়েছে। ফাতিমার মা রুনু বেগম সাংবাদিকদের কাছে জানান যে আমরা মহিলা মানুষ ছাদে শীতের সময় রোদে বসি অনেক সময় মেয়ে গোসল করে।এতে তাদের মান সম্মান নষ্ট হয়।
নাম না বলার শর্তে এলাকার লোকজন বলে শানু মোল্লা, তার ছেলে ও স্ত্রী বিভিন্ন সময় রুনু বেগম ও তার মেয়ে ফাতিমা আক্তার কে ঘর থেকে নামিয়ে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করে। কিন্তু বড় ভাই মোঃ সোহরাব হোসেন মোল্লা তিনি তাদের ভরনপোষণ ও ফাতিমার পড়াশোনার খরচ বহন করে আসছে বিগত ১২/১৩ বছর যাবত।
রুনু বেগম ও ফাতিমা আক্তার শানু মোল্লা ও তার স্ত্রী খাদিজা বেগম সহ তাদের সাংঙ পাঙদের হাত থেকে রক্ষা যাতে পায় সে জন্য শানু মোল্লা গংদের আইনের আওতায় এনে শাস্থি দাবি জানান ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকার সাধারণ মানুষ।
শানু মোল্লার সাথে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে তার মুঠোফোন একাধিক বার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।